গুন্ডা কোনো জন্মগত পরিচয় নয়; তা হচ্ছে সমষ্টিগত কষ্ট এবং ঠিক করাগল্পের ফল। একসময় তারা ছিল সাধারণ ছেলেরা—কলেজ-ছাত্রীদের পেছনে লাফানো, ফুটবল খেলা, বাজারের মোড়ে চিবানো সামুদ্রিক টিফিন। কিন্তু জীবনের বাঁক কেবল একটি ছোট ঠেলে দিতেই তাদের কাঁধে ধরা পড়ে অন্যরকম লেবেল। ঘরেই অভাব, শিক্ষার অভাব, সমাজের বঞ্চনা—এসবের চাপ নিয়ে তারা আচমকা শক্তির খালি শোভা পায়। কালো জ্যাকেট, ক্যাপ, এবং অপ্রতিহত ভঙ্গি—এসব জামার আড়ালে লুকিয়ে থাকে অদৃশ্য ভয় আর একাকীত্বের কণা।
"গুদ" শব্দটির সঠিক উৎস খুঁজতে গেলে আমাদের বাংলা ও হিন্দি উভয় ভাষার দিকেই নজর দিতে হবে। সংস্কৃত 'গুদা' থেকে উদ্ভূত এই শব্দটির মূল আভিধানিক অর্থ নারী যৌনাঙ্গ। কিন্তু বাংলার মুখে মুখে এটি ঢুকে পড়েছে নানা রঙ্গ-রসিকতা, গালি, এমনকি স্নেহের বাক্য হিসেবেও। যেমন ‘গুদের পোড়া’ বা ‘গুদের ব্যাপার’—এগুলো গালি হলেও আড্ডার গন্ধে মোড়া। guder golpo in bengali language
ভারতীয় উপমহাদেশের রান্নাঘরে, বিশেষ করে বাংলার খাবারের পসরায় চিনির আবির্ভাবের অনেক আগে থেকেই গুড়ের প্রচলন ছিল। গুড় কেবল একটি মিষ্টি পদার্থ নয়, এটি বাংলার গ্রামীণ সংস্কৃতি, উৎসব এবং ঋতুচক্রের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। প্রাচীন আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে গুড়কে ‘গুড়’ বা ঔষধি গুণসম্পন্ন বলে উল্লেখ করা হয়েছে, যা থেকেই এর নামকরণ হয়েছে বলে মনে করা হয়। guder golpo in bengali language